১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর তার মরদেহ পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, সেই সময়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে নানা ষড়যন্ত্র ও অমানবিক নির্দেশনার তথ্য বেরিয়ে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতো একজন জনপ্রিয় নেতার মৃত্যুর পর এমন অমানবিক আচরণ ও নির্দেশনার বিষয়টি ইতিহাসের একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
এই ঘটনার পেছনে তৎকালীন সামরিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির নানা দিক নিয়ে এখন নতুন করে গবেষণা ও তদন্ত শুরু হয়েছে। দেশের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও পর্যালোচনা চলে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তার সম্পর্কে এ ধরনের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ইতিহাসের এই নির্মম অধ্যায়ের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি তুলেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। বিশেষ করে বিএনপি এবং সমমনা দলগুলোর পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি এবং তার অবদানকে মুছে ফেলার জন্য অতীতে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু তা সফল হয়নি। দেশের সাধারণ মানুষ আজও তাকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে।
তদন্তকারী সংস্থাগুলো এই ঘটনার আরও গভীরে গিয়ে তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইতিহাসের এসব জঘন্য ঘটনার সত্যতা জাতির সামনে উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার এবং জড়িতদের মুখোশ উন্মোচন করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক