দেশে সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত থাকার পরও বিভিন্ন এলাকায় সারের কৃত্রিম সংকট দেখা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সারের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃষকদের বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটে চলেছে। এই পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের তৎপরতা, যারা আমদানি ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সারের একটি বড় অংশ অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচার করে দিচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে গত দুই মাস ধরে এই চোরাচালান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে।
কৃষকদের নাভিশ্বাস দূর করতে এবং সারের কালোবাজারি ও পাচার রোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মিয়ানমারে সার পাচার ঠেকাতে দেশের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক অঞ্চলে যৌথভাবে শুরু হয়েছে বিশেষ অভিযান যার নাম দেওয়া হয়েছে অপারেশন সার সুরক্ষা। এই অভিযানের মাধ্যমে সমুদ্রপথে চলাচলকারী সন্দেহভাজন জলযানগুলোতে কঠোর তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কৃষি খাতের উৎপাদনশীলতা বজায় রাখতে সারের এই অবৈধ পাচার যেকোনো মূল্যে বন্ধ করতে হবে। অতীতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে এ ধরনের চোরাচালান ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য চরম আকার ধারণ করেছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং সারের বাজার স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক