গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাাম্পের নির্দেশে হরমুজ প্রণালি, পারস্য উপসাগর ও ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। এ অবরোধের উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে তেল রপ্তানি থেকে বিরত রাখা।
তবে যে উদ্দেশ্যে এই অবরোধ জারি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, সেটি পূরণ হচ্ছে কি না— তা নিয়ে ইতোমধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে। কারণ যুক্তরাজ্যভিত্তিক অ্যানালিটিক্স সংস্থা ভোরটেক্সা জানিয়েছে, মার্কিন অবরোধের মধ্যেই পারস্য উপসাগর দিয়ে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ট্যাংকার জাহাজগুলোর ৩৪টি চলাচলের রেকর্ড রয়েছে তাদের তাদের কাছে। যার মধ্যে ১৯টি ছিল বহির্গামী এবং ১৫টি ছিল আগমনী যাত্রা।
এই ১৯টি বহির্গামী যাত্রার মধ্যে অন্তত ৬টি তেলবোঝাই যাত্রা ছিল বলে জানিয়েছে ভোরটেক্সা। এসব বহির্গামী যাত্রাতেই বাইরের গ্রাহকদের কাছে এই ১০ লাখ ব্যারেল তেলের চালান ইরান পাঠিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এই চালানের তেলগুলো বিক্রি করা হয়েছে কি-না কিংবা বিক্রি করলেও এই তেলের ক্রেতা কারা— সে সম্পর্কিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।
গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় স্কট বেসেন্ট বলেছিলেন, মার্কিন অবরোধ চলাকালে কোনো দেশের বিরুদ্ধে যদি ইরানের তেল ক্রয়ের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সেই দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।
সূত্র : এপি