গুটি কয়েক দুশ্চরিত্রবান লোকের কারণে পবিত্র মাদ্রাসা শিক্ষাকে কোনোভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না। সত্য, নৈতিকতা, জবাবদিহি ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রকৃত মর্যাদা ও ঐতিহ্য রক্ষা করতে হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান এই ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করতে এবং এর মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বক্তারা বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষায় নৈতিকতার যে শিক্ষা দেওয়া হয়, তা সমাজের অপরাধপ্রবণতা কমাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার কারণে পুরো শিক্ষাব্যবস্থার ওপর যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। অতীতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে শিক্ষাখাতে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে এখন একটি সুষ্ঠু ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার সময় এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শিক্ষকদের নৈতিক স্খলন রোধে প্রশাসনিক নজরদারি বাড়াতে হবে এবং মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদকে আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। পাশাপাশি, শিক্ষার মানসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তর থেকে সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে, যাতে আগামী প্রজন্ম সঠিক ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ নিয়ে গড়ে উঠতে পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক