জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাত বছরের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার রোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। হত্যার পর প্রমাণ গায়েব করতে নিজ বসতঘরের মেঝেতে গর্ত করে শিশুটির লাশ পুঁতে রাখে ঘাতক। জানা যায়, নিহত শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল এবং ঘটনার দিন সে তার বান্ধবীর বাড়িতে খেলতে গিয়েছিল। এই নৃশংস ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, বান্ধবীর বাবার লোমহর্ষক এই শিকার হয় ওই নিষ্পাপ শিশুটি। অভিযুক্ত ব্যক্তি অত্যন্ত চতুরতার সাথে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এ ধরনের জঘন্য অপরাধ সমাজে কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে স্থানীয় প্রশাসন কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার কর্মীরা দ্রুত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। বিচারহীনতার সংস্কৃতির সুযোগ নিয়ে অতীতে অপরাধীরা পার পেয়ে গেলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে অপরাধীদের কঠোর হাতে দমনের দাবি জোরালো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক