প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় আমদানি করা জ্বালানি তেল প্রতিবেশী দেশে পাচার হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ঠেকাতেই দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী। বিশ্ববাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং দেশের অর্থনীতিকে সুসংহত রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতের ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে জ্বালানি খাতে নানা অনিময় ও দুর্নীতির কারণে অর্থনীতিতে যে স্থবিরতা নেমে এসেছিল, তা থেকে উত্তরণে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সেই সময়ের লুটপাটের কারণে আজ দেশের মানুষকে নানা ধরনের অর্থনৈতিক চাপের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য যদি অচিরেই স্থিতিশীল পর্যায়ে ফিরে আসে, তবে দেশের বাজারেও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হবে। সরকার দেশের সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, দেশের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে কার্যকরভাবে বাজার তদারকি করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চোরাচালান রোধে সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে কোনোভাবেই দেশের সম্পদ বাইরে পাচার হতে না পারে। সরকার আশা করে, জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতায় দেশের এই অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক