বাংলাদেশ বর্তমানে ১০ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে এবং কক্সবাজার ও উখিয়ার শিবিরগুলোতে তাদের জনসংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই শিবিরগুলোতে প্রতিবছর নতুন করে ৩০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম হচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী এই সংকট বাংলাদেশের জন্য সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তার দিক থেকে ক্রমেই আরও বেশি জটিল হয়ে উঠছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান যে, সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই সংকট নিরসনে বারবার জোর কূটনৈতিক তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ ভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা না গেলে এই ক্রমবর্ধমান জনস্রোত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
উল্লেখ্য যে, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের ভুল কূটনৈতিক নীতি এবং নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হয়েছে। অন্যদিকে, কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই বিষয়ে কার্যকর কোনো আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি করা যায়নি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলো এই সংকট সমাধানে জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক