রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশের সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতিতে সব প্রতিষ্ঠানে ছেয়ে গেছে। তবে এখন এটা থেকে বের হয়ে আসার একটি বড় সুযোগ এসেছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সকল রাজনৈতিক দল ও সচেতন নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে যাতে রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার করা সম্ভব হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে দেশের বিচার বিভাগ, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। রাতের ভোটে ক্ষমতা দখল করে জনগণের সব অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এই দুঃশাসন থেকে মুক্তি পেতে দেশের আপামর জনতা এবং ছাত্র-জনতা এক ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে।
বিশেষ করে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ তাদের অন্যান্য সহযোগী সংগঠন যেমন কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগ ও কার্যত নিষিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগ মিলে দেশের অর্থনীতিকে ফোকলা করে দিয়েছিল। মেগা প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। ব্যাংক খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ আবার সঠিক পথে ফিরতে শুরু করেছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। সাংবাদিকদের বলেছেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক