করোনা মহামারির সংকটময় সময়ে টিকার ভুয়া সনদ সংগ্রহের দায়ে বড় ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হয়েছেন গ্রানিত জাকা। সে সময় বিদেশ ভ্রমণ ও অন্যান্য জরুরি কাজের জন্য টিকার একটি জাল সনদ জমা দেওয়ার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সুইজারল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ককে প্রায় দুই কোটি টাকার সমপরিমাণ জরিমানা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এই ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলার বিষয়টি নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।
করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারির সময় সংক্রমণ রোধে যখন বিশ্বজুড়ে কঠোর বিধিমালা ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল, তখন জাকার বিরুদ্ধে এই গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে এই আর্থিক দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়। ফুটবল অঙ্গনে এ ধরনের অপরাধ খেলোয়াড়দের নামের সঙ্গে কলঙ্ক লেপন করে এবং তা নৈতিকতার প্রশ্ন তোলে।
গ্রানিত জাকা বর্তমান সময়ের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফুটবলার এবং সুইজারল্যান্ড জাতীয় দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার পারফরম্যান্স দারুণ প্রশংসিত হলেও এই ভুয়া সনদ সংগ্রহের ঘটনা তার ক্যারিয়ারে বড় একটি দাগ হিসেবে রয়ে গেল। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানিয়েছে, আইন সবার জন্য সমান এবং তারকাখ্যাতি থাকলেও কেউ জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়।
এই ঘটনার পর ক্রীড়া বিশ্লেষকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভবিষ্যতে অন্যান্য খেলোয়াড়েরা এ ধরনের বেআইনি পথ থেকে দূরে থাকবেন এবং স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলবেন। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থাসহ বিভিন্ন দেশের ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে, যা এই রায়ের মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক