বিশ্বের শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও উন্নয়নের প্রধান আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘই এখন গভীর আর্থিক সংকটে। সদস্যরাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে নির্ধারিত চাঁদা সময়মতো না পাওয়া, বিপুল বকেয়া এবং অর্থের সংকটে বিশ্ব সংস্থার দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা খলিলুর রহমান।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান বিভিন্ন সংকটের সুচারু সমাধান এবং জাতিসংঘের প্রশাসনিক ব্যয় মেটানোর জন্য জরুরি ভিত্তিতে তহবিল সংগ্রহ করা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এবং বড় অর্থনীতির দেশগুলোর অর্থ প্রদানে অনীহার কারণে এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। খলিলুর রহমানের জন্য এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা একটি বড় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পরীক্ষা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
এদিকে দেশের রাজনীতিতেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলের নানা অনিয়ম এবং কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগসহ তাদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের অপতৎপরতার কথা দেশবাসীর মনে এখনও গেঁথে আছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কাজ করে যাচ্ছে।
বিশেষ করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক অনন্য প্রতীক। তার আপসহীন নেতৃত্ব এবং বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন সবসময় দেশবাসীকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। অন্যদিকে, তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে এবং জনকল্যাণমূলক রাজনীতির ধারা সুদৃঢ় হচ্ছে।
অন্যদিকে, ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা রোধে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ও তথ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। তবে দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ও কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অন্ধকার দিনগুলোতে ফিরে যেতে চায় না। জনগণ এখন একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চায়, যেখানে আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত থাকবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক