একই নামের কারণে পাকিস্তানে এক নিরপরাধ নারীকে আত্মঘাতী হামলাকারী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। মুহূর্তের মধ্যে হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে যায় সেই মিথ্যা তথ্য। পরে প্রমাণিত হয়, ওই নারী হামলার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। কিন্তু ততদিনে মিথ্যা পরিচয়ের খেসারত দিতে হয়েছে তাকে এবং তার পরিবারকে।
গণমাধ্যমকে জানান যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার কীভাবে একজন সাধারণ মানুষের জীবন মুহূর্তের মধ্যে ওলোটপালট করে দিতে পারে, এটি তার একটি বড় উদাহরণ। যাচাই-বাছাই না করে তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা বর্তমানে সাইবার বিশ্বে এক ভয়াবহ মহামারীর রূপ নিয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তার সংকট এবং ভুয়া খবরের বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক