জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নিতে রাজধানীর নয়াপল্টনে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁকে ঘিরে নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন গণতান্ত্রিক ধারার সূচনা হয়েছে, যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর এই উপস্থিতি নেতাকর্মীদের মধ্যে এক অভূতপূর্ব উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামতেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে শুরু করেন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ফেস্টুন, ব্যানার এবং দলীয় পতাকায় রঙিন হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। বিগত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার আমলের নানা নিপীড়ন ও নির্যাতন উপেক্ষা করে দলটির নেতাকর্মীরা যেভাবে রাজপথে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
শোভাযাত্রা শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নেতাকর্মীদের অবদানের কথা স্মরণ করেন শীর্ষ নেতারা। তারা বলেন, জনগণের মৌলিক অধিকার ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে তারেক রহমানের নির্দেশনায় দল সবসময় আপসহীন রয়েছে। বর্তমান সরকারের অধীনে দেশ ধীরে ধীরে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বা তাদের কোনো দোসর যাতে এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি দলীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও কঠোর সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। শান্তিপূর্ণ এই শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় যে দেশের সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক কর্মীরা আজও জাতীয় বিপ্লব ও সংহতির আদর্শে কতটা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক