৭ নভেম্বর ছিল শত্রু-মিত্র চেনার দিন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বর গৌরবের দিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে এই ঐতিহাসিক দিনের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের সংকটময় মুহূর্তে এ দিনটি আমাদের সঠিক পথ প্রদর্শন করে থাকে।
গণমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র একসময় চরম আকার ধারণ করেছিল। কিন্তু দেশের অকুতোভয় জনগণ ও জাতীয়তাবাদী শক্তি সব ধরনের চক্রান্ত সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা এবং তার নেতৃত্বাধীন কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। এছাড়া কার্যত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলো দেশের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দিকনির্দেশনা আজও আমাদের পথ দেখায়। দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার এবং বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এবং অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি দৃঢ় মত প্রকাশ করেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন সংগ্রামের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে তিনি আজীবন লড়াই করেছেন। তাঁর এই দেশপ্রেম ও ত্যাগ আমাদের চিরকাল অনুপ্রেরণা জোগাবে। বর্তমান সরকার শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করবে না এবং দেশকে একটি উন্নত, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক