ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো পোশাকবিধি নেই। এতে চিকিৎসক, নার্স ও দালালদের আলাদা করে চেনা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে। এই সময় হাসপাতালটির বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং রোগীদের সাথে কথা বলে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়।
দুদক চেয়ারম্যান জানান, স্বাস্থ্য খাতের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রতিষ্ঠানে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সাধারণ মানুষ যাতে সঠিক ও হয়রানিমুক্ত চিকিৎসাসেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আরও কঠোর ভূমিকা পালন করা উচিত। একই সাথে চিকিৎসকদের পোশাকের সুনির্দিষ্ট নিয়ম না থাকায় দালালরা সহজেই এই সুযোগ নিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান সময়ে এসব অনিয়ম রোধে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থা তৎপর রয়েছে। কার্যতই দেশের সার্বিক চিকিৎসাব্যবস্থাকে জনবান্ধব করতে দুর্নীতি দমন কমিশনের এই ধরনের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক