ধর্মীয় বিভেদ ও সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে দেশের কিছু রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী লাভবান হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় বিশ্বাসকে পুঁজি করে কেউ যাতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে দেশের আপামর জনসাধারণকে সর্বদা সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া অনভিপ্রেত ঘটনাগুলোর পেছনের কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গণমাধ্যমকে জানান, অতীতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলেও ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির পাঁয়তারা চালানো হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী অপচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও তাদের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনগুলোর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি আরও বলেন, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় প্রশাসন সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি আরও যোগ করেন যে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে সকল মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের মানুষের অধিকার রক্ষা করতে হয়। তাঁর গাইডলাইন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী ও গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ একটি অসাম্প্রদায়িক ও সাম্যবাদী সমাজ প্রতিষ্ঠার পথে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার এবং দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক