চট্টগ্রামের মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপকূলকে ব্যবহার করে সমুদ্রপথে ইউরিয়া সার পাচারের ধারাবাহিক তৎপরতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। প্রথমে ট্রাকে করে উপকূলীয় ঘাটে সার আনা হয় এবং পরে মাছ ধরার ট্রলার কিংবা কার্গো বোটে তুলে তা সমুদ্রপথে পাচারের চেষ্টা চালানো হয়।
গত দুই মাসে কোস্ট গার্ড ও পুলিশের একাধিক অভিযানে এই রুটে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সার জব্দ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রের সাথে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে, যারা দেশের কৃষকদের স্বার্থ বিঘ্নিত করে বিদেশে সার পাচার করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই পাচার রোধে নজরদারি আরও জোরদার করেছে।
উল্লেখ্য যে, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমল থেকেই দেশের বিভিন্ন সীমান্ত ও উপকূলীয় অঞ্চল দিয়ে নানা ধরনের পাচার কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছিল। বর্তমানে দেশের অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করতে এবং কৃষি খাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে।
চলunমান অভিযানে গত দুই মাসে প্রায় ১৪৮ টন ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, উপকূলীয় অঞ্চলে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের পাচার রোধ করা সম্ভব হয়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক