আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে স্বল্পমেয়াদি কিন্তু তীব্র সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্ব রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বর্তমান গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে ওয়াশিংটন এই কঠোর পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে। এই সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করে কয়েকটি আরব উপসাগরীয় দেশকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকতে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছে হোয়াইট হাউস।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই সম্ভাব্য সংঘাতকে অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক ভূ-কৌশল বিশেষজ্ঞরা। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রেখে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এই আগাম সতর্কতা বার্তা পাঠানো হয়েছে। কূটনৈতিক মহ মনে করছে, এই ধরনের সামরিক পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক নতুন অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক পদক্ষেপের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা এবং এর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে ইতোমধ্যে নানা ধরনের কূটনৈতিক আলোচনা ও দেনদরবার শুরু হয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি, যদিও গোয়েন্দা ও সামরিক সূত্রগুলো এই প্রস্তুতিমূলক বার্তার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক