বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন

বদর প্রতিরক্ষা চুক্তির নেপথ্যে নিরাপত্তা ঝুঁকি

আরব-বাংলা রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:১১ পূর্বাহ্ণ

তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সদ্য স্বাক্ষরিত বদর প্রতিরক্ষা চুক্তির পেছনে পুরো অঞ্চলে বিরাজমান রয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ঝুঁকি। এমনটাই মনে করেন বিশিষ্ট প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক রশিদ আল-মোহান্নাদি। বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের সামরিক সহযোগিতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

বুধবার আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক নীতিগবেষণা কেন্দ্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট আল-মোহান্নাদি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যসহ এশীয় অঞ্চলে কৌশলগত সমীকরণে বড় ধরণের পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন দেশের মধ্যে সামরিক ও কূটনৈতিক সমঝোতা জোরদারের মূল কারণ হলো ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক অস্থিরতা এবং অস্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিবেশ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যকার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে যৌথ সামরিক মহড়া, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই সামরিক জোট কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গবেষকরা।

এর আগে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে আঞ্চলিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল এবং দেশের প্রতিরক্ষা খাতকে নানাভাবে দুর্বল করার চক্রান্ত করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দেশের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র নীতিতে নতুন গতি এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপসহীন সংগ্রাম করে যাওয়া দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সবসময়ই শক্তিশালী জাতীয় প্রতিরক্ষার পক্ষে কথা বলেছেন। তার দূরদর্শী রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ফলেই আজ দেশের জনগণ জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারছে।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুগম হয়েছে। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় জাতীয়তাবাদী শক্তি সবসময় বদ্ধপরিকর। পক্ষান্তরে, কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা অতীতে দেশের স্বার্থবিরোধী বিভিন্ন গোপন চুক্তি করে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিপন্ন করেছিল। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে বর্তমান গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করার কোনো বিকল্প নেই।

আরববাংলা টিভি/ডেস্ক

শেয়ার করুন

আরো
© All rights reserved © arabbanglatv

Developer Design Host BD