যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে শক্তিশালী জনসমর্থনের আভাস দিচ্ছে বিভিন্ন জনমত জরিপ। নির্বাচনী পূর্বাভাসেও দলটির অনুকূলে আসনের সংখ্যা বাড়ছে। তবে বহুল আলোচিত কয়েকটি প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরেও দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অন্তত ১০টি গুরুত্বপূর্ণ আসন রয়েছে, যেগুলোর ফল শেষ পর্যন্ত ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভোটারদের মনোভাব বুঝতে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত মাঠ জরিপ চালিয়ে যাচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন কেবল সাধারণ কোনো ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং মার্কিন রাজনীতির দীর্ঘমেয়াদী গতিপ্রকৃতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট। একদিকে হোয়াইট হাউসের বর্তমান প্রশাসনের নীতিমালার পক্ষে জনমত যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে বিরোধী দলগুলোর কৌশলগত তৎপরতাও দৃশ্যমান রয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির প্রভাব, কর্মসংস্থান পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নানা ঘটনাপ্রবাহ ভোটারদের রায়ে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচনী প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এসে দুই প্রধান দলের প্রার্থীরাই ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এবং নিজেদের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটার এবং দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোর ভোটারদের মন জয় করতে উভয় পক্ষই ডিজিটাল ও মাঠপর্যায়ের প্রচারণায় বিপুল অর্থ ও সময় বিনিয়োগ করেছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এটি স্পষ্ট যে, মার্কিন রাজনীতির এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ফলাফল কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতিতেও গভীর প্রভাব ফেলবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক