সৌদি আরবকে বিনিয়োগ, পর্যটন ও বিশ্বের বড় বড় ক্রীড়া আয়োজনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চান যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। কিন্তু সেই পরিকল্পনা এখন নতুন চাপে পড়েছে। ইয়েমেন থেকে ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানছে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহরে। যে আঞ্চলিক সংঘাত থেকে সৌদি আরব দূরে থাকতে চেয়েছিল, সেই সংঘাতে দেশটি আবারও জড়িয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইয়েমেন সংকট নিরসনে রিয়াদের বর্তমান কৌশলগত নীতিতে কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। যুবরাজের নেওয়া অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কারের মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অথচ বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কিছুটা উদ্বেগের মধ্যে পড়তে পারেন।
সংঘাতপূর্ণ এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সৌদি প্রশাসন কূটনৈতিক এবং সামরিক উভয় মাধ্যমেই তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের ভেতর অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখাই এখন দেশটির নীতিনির্ধারকদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। আগামী দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি কীভাবে মোড় নেয়, তার ওপর নির্ভর করছে সৌদি আরবের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক রূপরেখার সফলতা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক