নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সভা চলাকালে এক সহকারী শিক্ষিকাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও থাপ্পড় মারার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আর কেউ নন, বরং ওই শিক্ষিকার স্বামী এবং একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. খুরশেদ আলম। পূর্বPlanned বা পারিবারিক কোনো বিরোধের জেরে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার নির্ধারিত দিনে বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক একটি সভা চল ছিল। সভা চলাকালীন কোনো এক পর্যায়ে স্বামী ও স্ত্রী তথা দুই সহকর্মীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে শিক্ষক খুরশেদ আলম মেজাজ হারিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং সভায় উপস্থিত সবার সামনেই ‘কথা কস ক্যারে’ বলে স্ত্রীর গায়ে হাত তোলেন এবং তাকে সজোরে থাপ্পড় মারেন। এই আকস্মিক ঘটনায় সভায় উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং হতবাক হয়ে যান। পরবর্তীতে উপস্থিত কেউ কেউ এই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন যা পরবর্তীতে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান যে, বিদ্যালয়ের মতো একটি পবিত্র ও শৃঙ্খলিত স্থানে এমন অনভিপ্রেত ও মারমুখী আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষক সমাজের মর্যাদা ক্ষুণ্নকারী এই ঘটনার পর স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকবৃন্দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে অভিযুক্ত শিক্ষক খুরশেদ আলমের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরণের বিশৃঙ্খলা ঘটানোর সাহস কেউ না পায়। স্থানীয় শিক্ষা অফিস বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক