সরকারি চাকরির নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে স্থায়ী করতে আমলাতন্ত্র থেকে শুরু করে সকল স্তরে মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। অতীতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দলীয়করণের মাধ্যমে পুরো প্রশাসন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন ও নির্বাচিত গণতান্ত্রিক কাঠামোতে সেই সংস্কৃতির সম্পূর্ণ অবসান ঘটানো হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার হওয়া সাধারণ ও মেধাবী যুবসমাজ আজ তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাচ্ছে। অতীতে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং তাদের সহযোগী সংগঠন যেমন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের ক্যাডার বাহিনী যেভাবে মেধার গলা টিপে ধরে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দিত, তা এখন অতীত। দেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মের মেধা ও যোগ্যতাই একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হবে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে কোনোভাবেই বিগত স্বৈরাচারী আমলের অনিয়মকে আর প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, রাষ্ট্র মেরামতের চলমান প্রক্রিয়ায় দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান প্রশাসন বদ্ধপরিকর। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বজায় রাখার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয় এবং সহজে সরকারি সেবা পেতে পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে জানান।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক