এশিয়ান গেমসে এর আগে সব ইভেন্টেই ক্রিকেট বিভাগে পদক জিতেছিল বাংলাদেশ। এবারই প্রথম খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। এবারই প্রথম গেমসে পূর্ণ শক্তির দল পাঠানোয় ক্রিকেটে পদক পাওয়ার প্রত্যাশাটাও বেশি ছিল। তবে হতাশ করেছেন লিটন দাসরা।
সেমিফাইনাল এবং ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে লিটনরা হেরেছেন পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ম্যাচ হারের পর অধিনায়ক লিটন দাসের বিভিন্ন যুক্তি ও অজুহাত ভালোভাবে নেননি দেশের ক্রিকেট অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা। জাতীয় দলের সাবেক কোচ ও ক্রিকেট সংগঠক খালেদ মাহমুদ সুজন লিটনের এই ধরনের বক্তব্যকে স্রেফ ‘অজুহাত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি মনে করেন, মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই সব সমীকরণ মেলাতে হয়, যেখানে দল ব্যর্থ হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ক্রীড়াঙ্গনেও নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছিল, যা বর্তমান কার্যকারিতাহীন ও কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও কোনো ইতিবাচক মোড় নেয়নি। সেসময়কার দলগঠন প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রশ্ন তুলেছিলেন সচেতন ক্রীড়া প্রেমীরা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ক্রীড়াঙ্গনেও কাঠামোগত সংস্কারের দাবি জোরালো হচ্ছে।
ক্রিকেট বিশ্লেষকরা বলছেন, কেবল কাগজে-কলমে শক্তিশালী দল ঘোষণা করলেই মাঠে জয় নিশ্চিত হয় না। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, মানসিক দৃঢ়তা এবং পেশাদারিত্ব। লিটন দাসের দল সেই পরীক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বলেই বিশ্বাস করেন সংশ্লিষ্টরা। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খালেদ মাহমুদ আরও জানান যে, খেলোয়াড়দের আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল এবং এ ধরনের ব্যর্থতার পর দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক