সংবিধান সংশোধন কমিটিকে আমরা আর মামুরা বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির এনসিপি নেতা ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হাসনাত আবদুল্লাহ। রোববার ৪ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সংবিধান সংস্কার ও সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে যখন নানা আলোচনা চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তে তার এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এবং বিপ্লবের অংশীদারদের বাদ দিয়ে কোনো ধরনের সংবিধান সংশোধন বা সংস্কার গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র বিনির্মাণের জন্য সব মহলের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়ার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কীভাবে দেশের সংবিধানকে দলীয় স্বার্থে কাটাছেঁড়া করা হয়েছিল, সে বিষয়টিও তিনি তার বক্তব্যে তুলে ধরেন এবং এর তীব্র নিন্দা জানান।
উল্লেখ্য, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর দেশজুড়ে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চলছে। এই প্রক্রিয়ায় এনসিপির মতো উদীয়মান রাজনৈতিক শক্তির জোরালো ভূমিকা রয়েছে। হাসনাত আবদুল্লাহর এই বক্তব্য দেশের চলমান সাংবিধানিক সংস্কারের গতিপ্রকৃতি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ভবিষ্যতে দেশের সংবিধান কেমন হবে এবং তা প্রণয়নের ক্ষেত্রে কাদের অংশগ্রহণ থাকা উচিত, তা নিয়ে এখন নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক