ইরাকে থাকা শেষ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো থেকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের সকল সেনা প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা এই দীর্ঘ সংঘাতে প্রায় চার হাজার পাঁচশ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এই সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইরান ও দেশটির আঞ্চলিক মিত্ররা এই ঘটনাকে নিজেদের একটি বড় কৌশলগত বিজয় হিসেবে দেখছে। দীর্ঘমেয়াদী এই যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের জন্ম দিয়েছে।
২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলেই এই বিষয়ে নানামুখী কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং স্থানীয় সরকারের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে সেনা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। ইরাকি ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির এই চিরতরে অবসান মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে বলে গণমাধ্যমকে জানান সংশ্লিষ্টরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক