কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে অপহরণের চার ঘণ্টা পর ভোরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত ১১টার দিকে তাকে অপহরণ করা হয় এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ তল্লাশি ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ভোরে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকায় তীব্র শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নিহত ছাত্রদল নেতার পরিবার ও রাজনৈতিক সহকর্মীদের দাবি, এটি একটি সুপরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। রাতের আঁধারে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান। পুলিশ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং খুব দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
উল্লেখ্য, বিগত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমল থেকেই রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর দমনপীড়ন ও সহিংসতার যে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, তা থেকে এখনও পুরোপুরি মুক্তি মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা। তারা অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ চক্রের দোসররা এ ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির পাঁয়তারা চালাচ্ছ কিনা, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যৌথভাবে ঘটনার নেপথ্য কারণ উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক