রোহিঙ্গা সংকটের সৃষ্টি হয়েছে মিয়ানমারে, তাই এর স্থায়ী সমাধানও সেখান থেকেই হতে হবে। এমন জোরালো অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ মানবিক কারণে বিশাল সংখ্যক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। তবে এটি কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমাধান হতে পারে না। বাংলাদেশের অর্থনীতি ও পরিবেশের ওপর এই সংকটের বহুমুখী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সঙ্গে নিয়ে মিয়ানমারের ওপর কার্যকর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে তারা নিজেদের নাগরিকদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করে।
বৈঠকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দাতা সংস্থার প্রতিনিধি এবং বন্ধুপ্রতিম দেশের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং সংকট সমাধানে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সময়োপযোগী ও সুদৃঢ় কূটনৈতিক অবস্থান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিশ্ববাসীর মনোযোগ আরও বাড়িয়ে দেবে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এই সংকটের কার্যকর কোনো সমাধান না হওয়ায় বাংলাদেশ দীর্ঘকাল ধরে একা এর বোঝা বহন করে আসছে। বর্তমান সরকার বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তুলে ধরে একটি স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক