চার দিন আগে নিজের স্ত্রী আন্নি আক্তারকে তালাক দেওয়ার জোরালো দাবি করেছেন রাজশাহী নগরের চন্দ্রিমা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং বর্তমানে সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব আলম। তবে এই দাবির বিপরীতে সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য জানিয়েছেন তার স্ত্রী। আন্নি আক্তারের দাবি, তিনি এমন কোনো তালাকনামা বা আইনি কাগজ হাতে পাননি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পারিবারিক অঙ্গনে এবং পুলিশ মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব আলম দাবি করেন যে, পারিবারিক বিভিন্ন অসঙ্গতি এবং বনিবনা না হওয়ার কারণে তিনি গত চার দিন আগেই তার স্ত্রী আন্নি আক্তারকে তালাক প্রদান করেছেন। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এই বিচ্ছেদ ঘটানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে তার এই বক্তব্যের পরপরই সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলেন তার স্ত্রী আন্নি আক্তার। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, স্বামীর মুখে তালাকের কথা শুনলেও বাস্তবে তিনি কোনো ধরনের তালাকনামা বা আইনি নোটিশ এখনো হাতে পাননি।
এই পাল্টাপাল্টি দাবির ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত জীবন এবং বৈবাহিক সম্পর্কের এমন টানাপড়েন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভুক্তভোগী নারী আইনি সহায়তার জন্য পরবর্তীতে কী পদক্ষেপ নেন এবং সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এই বিষয়ে কোনো প্রশাসনিক বা পারিবারিক মীমাংসার উদ্যোগ নেয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক