ঐতিহ্যবাহী আবাহনী মাঠের নাম পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ করা হয়েছে ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠ। ক্রীড়াঙ্গনের দীর্ঘদিনের দাবি এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু মাঠের নাম পরিবর্তনই নয়, এর প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায়ও এসেছে বড় ধরণের পরিবর্তন। মাঠটির আগের সকল লিজ বা ইজারা চুক্তি বাতিল করা হয়েছে এবং একটি বিশেষ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে মাঠটির সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
পূর্বে এই মাঠটি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হতো। তবে ক্রীড়া খাতের উন্নয়ন এবং যুবসমাজকে মাঠমুখী করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের হাতে মাঠের দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহл মনে করছে, এই পরিবর্তনের ফলে মাঠের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত হবে এবং উদীয়মান ক্রিকেটাররা আরও বেশি অনুশীলনের সুযোগ পাবে।
উল্লেখ্য, ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘকাল ধরে একক আধিপত্য বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিভিন্ন ক্রীড়া স্থাপনা ও ক্লাবে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ক্রীড়াঙ্গনকে সকল প্রকার রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। ক্রীড়া বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে আসার ফলে ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠটি এখন আরও স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পরিচালিত হবে, যা দেশের সামগ্রিক ক্রিকেট উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। মাঠের এই নতুন রূপ ও ব্যবস্থাপনা স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও তরুণ সমাজের মাঝে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক