ঠাকুরগাঁওয়ের শতাব্দীর প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী রুহিয়া রেলস্টেশনটি বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম জোনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হিসেবে পরিচিত। ব্রিটিশ আমলে ১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই স্টেশনটি আজও উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে আসছে। এখান থেকে রুহিয়া, আটোয়ারী এবং পার্শ্ববর্তী বালিয়াডাঙ্গী ও পঞ্চগড় জেলার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিত যাতায়াত করে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে এই জনপদের মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা এই রেলওয়ে স্টেশনটি।
দিনাজপুর-পঞ্চগড় ডুয়েলগেজ রুটের এই গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে প্রতিদিন শত শত যাত্রী এসে অপেক্ষা করেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, দূর-দূরান্ত থেকে আসা এসব যাত্রীদের অপেক্ষার জন্য নেই কোনো পর্যাপ্ত যাত্রীছাউনি বা বসার সুব্যবস্থা। তীব্র রোদ, ঝড় কিংবা বৃষ্টির দিনে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে বা প్లాটফর্মে গাদাগাদি করে ট্রেন অপেক্ষা করতে হয় নারী, শিশু ও বয়োবৃদ্ধদের। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও নিয়মিত ট্রেন যাত্রীরা বহুবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করেও এর কোনো স্থায়ী সমাধান পাননি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি শতাব্দী প্রাচীন জনবহুল স্টেশনে ন্যূনতম নাগরিক সুযোগ-সুবিধার এই অনুপস্থিতি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের চরম উদাসীনতারই প্রমাণ। বর্তমান প্রেক্ষাপটে যাত্রী সাধারণের এই দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত একটি আধুনিক যাত্রীছাউনি নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। স্থানীয় যাত্রীরা অবিলম্বে রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রুহিয়া স্টেশনে দ্রুত যাত্রীছাউনি নির্মাণসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক