এক শতাব্দী ধরে বিভক্ত থাকা আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের পুনরায় একত্রীকরণ একটি চমৎকার বিষয় হতে পারে। আমি যা ভাবছি, একসময় তা অবশ্যই হবে, তাই এখন হয়ে যাওয়া ভালো। আমি দুই আয়ারল্যান্ডকে এক দেখতে চাই। গতকাল শনিবার ডাবলিনে দুই দিনের সফরে গিয়ে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেলের সঙ্গে বৈঠকের পর এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং ডাবলিনের রাজপথে ব্যাপক গণবিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটায়। স্থানীয় জনসাধারণ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ট্রাম্পের এই হস্তক্ষিপমূলক মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর আয়ারল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের দীর্ঘদিনের সংঘাতময় ইতিহাস এবং শান্তি চুক্তির প্রেক্ষাপটে এই ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। ব্রিটিশ সরকার এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের ইউনিয়নিস্টরা ট্রাম্পের এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা মনে করছেন, এই ধরনের বক্তব্য ভঙ্গুর শান্তি প্রক্রিয়াকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারে। অন্যদিকে, ডাবলিনের মার্কিন দূতাবাসের বাইরে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন এবং তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার দাবি তোলেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মন্তব্য কেবল আয়ারল্যান্ড নয়, বরং যুক্তরাজ্য ও মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রেও দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্যে এই ধরনের মন্তব্য কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ ছড়াচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক