দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের পদবির আগে মহামান্য ও মাননীয় শব্দ দুটি ব্যবহার না করার জন্য আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমে অন্য যেকোনো ধরনের সম্মানজনক বা আলংকারিক উপাধি লিখিতভাবে ব্যবহারের ওপর ও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি কার্যক্রমে অপ্রয়োজনীয় প্রথার বিলোপ ঘটিয়ে আরও বেশি পেশাদারিত্ব ও কর্মমুখী পরিবেশ নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
পূর্বে রাষ্ট্রপতির নামের সঙ্গে মহামান্য এবং প্রধানমন্ত্রী বা অন্যান্য মন্ত্রীদের নামের পূর্বে মাননীয় শব্দ যুক্ত করার দীর্ঘদিনের রেওয়াজ ছিল। তবে বর্তমান প্রশাসনিক সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই আনুষ্ঠানিকতার অবসান ঘটানো হচ্ছে। এর ফলে এখন থেকে সরকারি যেকোনো দাপ্তরিক চিঠি, স্মারক, সারসংক্ষেপ কিংবা নথিতে কেবল সংশ্লিষ্ট পদের নাম এবং ব্যক্তির প্রকৃত নাম ব্যবহার করা হবে। এই যুগোপযোগী নির্দেশনা বাস্তবায়নের ফলে সরকারি দপ্তরে কাজের গতি বৃদ্ধির পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও তোষামোদির সংস্কৃতি হ্রাস পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক