পাবনার দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা ও চরাঞ্চলের খামারিদের জন্য বর্ষা চরম দুর্ভোগের নাম। বছরের এ সময় একদিকে পশুখাদ্যের তীব্র সংকট, অন্যদিকে গাভীর দুধ উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসায় লোকসানের মুখে পড়েছেন হাজারো খামারি। সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্ষা ও ভারি বৃষ্টিতে নিচু এলাকার ঘাসের জমি তলিয়ে যাওয়ায় সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয় খামারিরা গণমাধ্যমকে জানান, বর্ষার মৌসুমে গোখাদ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়ে পড়ে। অথচ সেই তুলনায় উৎপাদিত দুধের সঠিক মূল্য পাওয়া যায় না। এতে করে প্রতিদিন তাদের বড় অংকের আর্থিক লোকসান গুনতে হচ্ছে। বিশেষ করে নিবন্ধিত ও প্রান্তিক খামারিরা ব্যাংক ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।
কৃষি ও প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি উত্তরণে খামারিদের সরকারিভাবে প্রণোদনা দেওয়া এবং সাইলেজ প্রযুক্তির মাধ্যমে গোখাদ্য সংরрণের ব্যবস্থা করা জরুরি। অন্যথায় দেশের আমিষ ও দুগ্ধ খাতের এই অন্যতম প্রধান জনপদ বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক