বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় এক কোটি ৩৯ লাখ বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। তাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কর্মরত। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে প্রায় ১১ লাখ ২৮ হাজার বাংলাদেশি বিদেশে গেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক গেছেন সৌদি আরবসহ বিভিন্ন মধ্যপ্রাচ্যের দেশে।
বর্তমান বৈশ্বিক শ্রমবাজারে টিকে থাকতে এবং কর্মীদের আয় বাড়াতে যথাযথ প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের দেশগুলোর চাহিদার মধ্যে রয়েছে ভিন্নতা। সৌদি আরব বা আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোতে মূলত কনস্ট্রাকশন, পরিচ্ছন্নতা এবং সাধারণ সেবামূলক কাজে কর্মীর চাহিদা বেশি থাকে। অন্যদিকে ইউরোপের দেশগুলোতে ভাষা এবং কারিগরি দক্ষতায় পারদর্শী প্রফেশনাল কর্মীদের কদর রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন যে, গন্তব্য দেশের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের প্রস্তুত করা গেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। সম্প্রতি বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট মহলের সাথে বৈঠকে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়েছে। দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে এবং বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে প্রবাসগামী শ্রমিকদের জন্য আধুনিক ও উপযোগী প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে জনশক্তি খাতের উন্নয়নে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাধারণ শ্রমিকদের জিম্মি করে বিদেশে পাঠানো হয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে শ্রমবাজারের এই অস্থিরতা দূর করে মেধার ভিত্তিতে কর্মী প্রেরণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক