কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে মানবপাচারের জটিলতা নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়ার সাংকংহে ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইয়াসমিন আক্তার অধরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুলের এশিয়ান নন-গভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশন স্টাডিজ বিভাগে অধ্যয়নরত এই মেধাবী শিক্ষার্থী তার গবেষণার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন।
গবেষণায় তিনি কক্সবাজার অঞ্চলের সংবেদনশীল পরিস্থিতি এবং মানবপাচার রোধে এনজিও ও স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেছেন। তার এই অর্জনে দক্ষিণ কোরিয়ার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও প্রবাসীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে। গবেষক ইয়াসমিন জানান, এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে তাকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে এবং মানবতার কল্যাণে গবেষণা চালিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইয়াসমিনের এই অর্জন বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণার মান যে দিন দিন বাড়ছে, এই পুরস্কার তারই এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ। বিভিন্ন মহল থেকে তাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করা হয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট