সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধে নিরপেক্ষভাবে ফ্যাক্টচেকিং কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় ফ্যাক্টচেকিং ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী। গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বর্তমান সময়ের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো ডিজিটাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব ও অসত্য তথ্য। এটি রোধে সরকার কার্যকর এবং নিরপেক্ষ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর।
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর মানোন্নয়নে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলকে যুগোপযোগী করা হবে। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পুরনো আইন ও ধারাগুলো পর্যালোচনা করে বর্তমান সময়ের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংস্কার আনা হবে। এর ফলে সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা এবং জবাবদিহিতা উভয়ই নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে গণমাধ্যমের ওপর নানা ধরনের দমনপীড়ন চালানো হয়েছিল এবং সত্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল। সেই অন্ধকার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে আলোচনা করে এই সংস্কার কাজ চূড়ান্ত করা হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট