সৌদি আরবের আবেদনে সাড়া দিয়ে ইয়েমেনে হুতিদের অবস্থানে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে হামলার নির্দেশ দেওয়া হবে কি না—এই প্রশ্ন টানা দুই সপ্তাহ ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বেশ ভাবিয়েছে। হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া বা না নেওয়া উভয় ক্ষেত্রেই মার্কিন স্বার্থ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকরা এক জটিল সমীকরণের মুখোমুখি হয়েছেন।
ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের অব্যাহত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো এবং নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রিয়াদ থেকে মার্কিন প্রশাসনের কাছে জোরালো সামরিক সহায়তার আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু এই সংঘাতে সরাসরি জড়ালে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবেই দীর্ঘমেয়াদে দেখতে চায় না।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য এটি একটি ক্লাসিক উভয়সংকট। একদিকে দীর্ঘদিনের মিত্র সৌদি আরবকে রক্ষা করার চাপ, অন্যদিকে নতুন কোনো সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন তাই কূটনৈতিক সমাধানের পাশাপাশি সামরিক বিকল্পগুলোও অত্যন্ত সতর্কতার সাথে মূল্যায়ন করছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক