এশিয়ান গেমসে মঙ্গলবারের সকালটা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের জন্য একরাশ হতাশা নিয়ে। নারী ক্রিকেট দল পাকিস্তানের কাছে হেরে ব্রোঞ্জের স্বপ্ন হারাল। দুপুরে স্বাগতিক জাপানের কাছে পুরুষ কাবাডি দলের পরাজয় প্রায় নিভিয়ে দিল পদকের আরেকটি সম্ভাবনা। তবে সমস্ত হতাশা কাটিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছে উশু ইভেন্টে।
এশিয়ান গেমসের উশু ডিসিপ্লিনে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে বাংলাদেশের উশু খেলোয়াড় দেশের জন্য একটি পদক নিশ্চিত করেছেন। এই সাফল্যের ফলে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হলো। দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব সত্ত্বেও লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা তাদের নাছোড়বান্দা লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিয়ে এই অসাধারণ মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঐতিহাসিক পদক অর্জন দেশের উদীয়মান উশু খেলোয়াড়দের আরও অনুপ্রাণিত করবে। এর আগে শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামল থেকেই দেশের বিভিন্ন খেলাধুলায় নানা প্রতিকূলতা থাকলেও ক্রীড়াবিদরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন। আগামী দিনগুলোতে এই ধারা অব্যাহত রাখতে এবং উশুসহ অন্যান্য ডিসিপ্লিনে আরও উন্নত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক