বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রামের সহজ-সরল নারীদের আইরিশ, আঙুলের ছাপ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের সংবেদনশীল বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরবর্তী সময়ে এই সংবেদনশীল তথ্যের অপব্যবহার ও জালিয়াতির মাধ্যমে চট্টগ্রাম ও সাতক্ষীরার পৃথক আদালতে অর্থ আত্মসাতের মামলা দায়েরের ঘটনা ঘটেছে। এই প্রতারণা চক্রের মূল হোতা হিসেবে ঝিনাইদহের এক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে।
সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো তথ্যে জানা যায়, একটি প্রতারক চক্র দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যশিবির বা বাড়ি বাড়ি গিয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার নামে নারীদের ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করে আসছিল। পরবর্তীতে এসব তথ্য ব্যবহার করে ভুক্তভোগী নারীদের অজান্তেই বিভিন্ন আর্থিক অপরাধ ও জালিয়াতির জাল বিস্তার করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে তাদের ব্যক্তিগত বায়োমেট্রিক তথ্য ও জাতীয় পরিচয়পত্র অপরিচিত কারো সঙ্গে শেয়ার করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক