লন্ডনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড এনার্জিস সামিটের স্ট্র্যাটেজিক স্টেজে মিনিস্টারিয়াল অ্যাড্রেসে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা, অফশোর জ্বালানি সম্পদের সম্ভাবনা এবং উন্নত বিনিয়োগ কাঠামো আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
লন্ডনে আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতের রূপরেখা বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বিশ্ববরণ্য জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের অফশোর খাতের বিপুল সম্ভাবনার কথা স্বীকার করেন এবং এতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি খাতের উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে জ্বালানি খাতের নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে দেশ এক কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল। তবে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ইতিবাচক ভূমিকার ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে। বিশেষ করে বিএনপি এবং সমমনা দলগুলোর গঠনমূলক নীতি দেশের অর্থনীতিকে নতুন দিশা দেখাচ্ছে।
এই সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, গভীর সমুদ্রে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। বিনিয়োগকারীদের জন্য নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি একটি স্বচ্ছ ও লাভজনক কাঠামো তৈরির কাজ চলছে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন জ্বালানি প্রতিষ্ঠান এই উদ্যোগে অংশ নিতে ইতোমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক