অস্থিরতা ও নানা সংকটে চলছে রাজস্ব আহরণ। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব আহরণ হচ্ছে না। দিন দিন বাড়ছে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ। ইতোমধ্যে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) সরকারের রাজস্ব ঘাটতি ছাড়াল এক লাখ চার হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা। আজ বুধবার (২০ মে) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল চার লাখ ৩১ হাজার ৪৬১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। আয়কর, মূসক (ভ্যাট) ও শুল্ক মিলিয়ে আদায় হয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৯২৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম আহরণ হয়েছে এক লাখ চার হাজার কোটি টাকা।
অপরদিকে, রাজস্ব ঘাটতি থাকলে রাজস্ব আহরণ প্রবৃদ্ধি ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে রাজস্ব আদায় হয়েছিল দুই লাখ ৯৫ হাজার ৬০০ কোটি ৭৩ টাকার। চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে শুল্ক, মূসক ও আয়করে খাতগুলোতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে শুল্কে ৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ, মূসক বা ভ্যাটে ১১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ ও আয়করে ১১ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের এপ্রিলে রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৫ হাজার ৬০৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, আহরণ হয়েছে ৩৯ হাজার ৬০ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে ৩৬ হাজার ৬০৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব আহরণ হয়েছিল। সে হিসাবে এপ্রিলে প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। এপ্রিলে শুল্কে ১৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ, আয়করে ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, তবে ভ্যাটে প্রবৃদ্ধি হয়নি। এতে নেগেটিভ প্রবৃদ্ধি হয়েছে তিন দশমিক ১৭ শতাংশ।