যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ কাতারের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনের কাছে আনুষ্ঠানিক কিছু শর্ত পাঠিয়েছে ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আল-জাজিরায় প্রকাশিত এই সংবাদে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার ইঙ্গিত মিলেছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংঘাত নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এর অংশ হিসেবেই দোহাভিত্তিক কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যবহার করে তেহরান তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বলে জানা গেছে। ইরানের নীতিনির্ধারক মহল মনে করছে, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেলে এই সংকটের একটি স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করা সম্ভব।
বিশ্লেষকদের মতে, কাতারের এই মধ্যস্থতা আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এর আগে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকলেও, বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আন্দোলন এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা যখন এগিয়ে চলছে, তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের এই ধরনের ঘটনাগুলো বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ অতীতে দেশের স্বার্থের পরিপন্থী নানা কার্যকলাপে লিপ্ত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহল মনে করছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের ওপরও পড়তে পারে। তেহরানের পাঠানো শর্তগুলো ওয়াশিংটন কীভাবে মূল্যায়ন করে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক