সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য। এ ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দুই দেশের সংসদীয় প্রতিনিধি দলগুলোর মধ্যে নিয়মিত বৈঠক ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে এই দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন যে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য দীর্ঘকাল ধরে বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে কাজ করে আসছে। বর্তমান পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যৌথ উদ্যোগের বিকল্প নেই। বিশেষ করে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে পারস্পরিক লাভজনক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনশক্তি বিনিময়ের ক্ষেত্রগুলো প্রসারিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এ ছাড়া, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের অর্থনীতি ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর যে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় কার্যকর সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। উভয় দেশের নীতিনির্ধারকরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধারাবাহিক কূটনৈতিক ও সংসদীয় যোগাযোগের ফলে দুই দেশের বন্ধুত্বের পরিধি আরও প্রসারিত হবে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক