এক দশক পর নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণার পরও প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় দেশের সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নতুন পে-স্কেল অনুমোদনের পর দ্রুতই প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানানো হলেও দুই সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ায় তা কার্যকর না হওয়ায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সাংবাদিকদের বলেছেন সংশ্লিষ্টরা, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং কিছু আর্থিক হিসাব-নিকাশের জটিলতার কারণে প্রজ্ঞাপন জারিতে সামান্য বিলম্ব হচ্ছে। তবে খুব শীঘ্রই এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্যের শিকার হওয়া নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল নিয়ে আশাবাদী হলেও দীর্ঘসূত্রিতায় হতাশ হয়ে পড়েছেন।
এদিকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী সংগঠন। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মতো রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকেও সরকারি চাকরিজীবীদের নায্য দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের ত্রুটিপূর্ণ অর্থনৈতিক নীতির কারণে বারবার পে-স্কেল বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হতো বলে অভিযোগ করেছেন অর্থনীতিবিদরা।
সার্বিক এই পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মচারীরা দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানিয়ে আসছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে চলতি মাসের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক