যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার এক দিন পরেই সেখানে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক হলেন ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি-র নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা-সহ দলের বেশ কজন কর্মী। মঙ্গলবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সাংবাদিকদের বলেছেন সিজেপি নেতৃত্ব, প্রতিবাদ করার গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার এই চক্রান্ত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর রোধ করতেই এই ধরনের দমনপীড়নমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলে সিজেপির পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, দেশের নানা প্রান্তে এখন থেকে নতুন নতুন যন্তর মন্তর বা বিকল্প প্রতিবাদস্থল গড়ে তোলা হবে। সরকারের যেকোনো জনস্বার্থবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে এই প্ল্যাটফর্মগুলো থেকেই কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার জরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে সংঘাতের আবহ তৈরি হতে পারে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অধিকার রক্ষা এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহོলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক