প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করে তার পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে এক বিরল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইতিহাস গড়ে তুলেছেন। শুক্রবার গভীর রাতে বিশ্ব সংস্থার এই সর্বাচ্চ মঞ্চে তার এই তেজস্বী ও দূরদর্শী ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিশ্বনেতাদের উপস্থিতিতে তিনি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই ভাষণ প্রদান বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশের দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কেটে গেছে এবং একটি ইতিবাচক ধারার সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই বক্তব্যে দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে বলে গণমাধ্যমকে জানান বিশিষ্টজনেরা।
অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিশ্ববাসীর দৃষ্টি ছিল বাংলাদেশের এই নতুন নেতৃত্বের দিকে। অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের ভাবমূর্তি যেভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে এক নতুন গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের বার্তা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তার এই সাবলীল উপস্থিতি এবং সময়োপযোগী প্রস্তাবনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক