প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জাতিসংঘে নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠার পর এবার তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন, সুউচ্চ শিক্ষা এবং পেশাগত যোগ্যতার বিষয়টি জোরালোভাবে সামনে এনেছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। জাইমা রহমানের এই অর্জন কেবল কোনো পারিবারিক পরিচয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাঁর নিজস্ব মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের ফল বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। রাষ্ট্রদূতের এই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক ইতিবাচক আলোচনার সূত্রপাত ঘটেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিবারের রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও প্রভাবশালী পটভূমি ছাড়াও ব্যারিস্টার জাইমা রহমান তাঁর মেধা এবং দূরদর্শিতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের মতে, জাইমা রহমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং আইন পেশায় তাঁর মুনশিয়ানা তাঁকে জাতিসংঘের মতো বিশ্বমঞ্চে কাজ করার উপযুক্ত ও যে কোনো যোগ্য প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে রেখেছে। অথচ একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার উদ্দেশ্যে তাঁর এই আন্তর্জাতিক অর্জনকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে, যা সম্পূর্ণ অমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
উল্লেখ্য যে, অতীতে দেশের বিভিন্ন সংকটময় মুহূর্তেও তারেক রহমানের পরিবার সবসময় জনগণের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমান গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের এই ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেশের ভাবমূর্তি বহির্বিশ্বে আরও উজ্জ্বল করছে। দেশের তরুণ প্রজন্ম এবং সচেতন নাগরিক সমাজও জাইমা রহমানের এই সাফল্যে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে, তাঁর এই নিয়োগ বাংলাদেশের জন্য একটি বড় অর্জন এবং এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশের তরুণ নেতৃত্ব নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছাবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক