সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন

ছুটির দিনেও কমেনি লোডশেডিং

আরব-বাংলা রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬ ২:৪৫ pm

সারাদেশে আবারও তীব্র লোডশেডিংয়ে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। গ্রামাঞ্চলের অনেক এলাকায় দিনে-রাতে মিলিয়ে ১২ ঘণ্টারও কম সময় বিদ্যুৎ মিলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ছুটির দিনেও পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ২৭ জুন রাত ৯টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৮ হাজার ৩০১ মেগাওয়াট। সে সময় সরবরাহ করা হয়েছে ১৫ হাজার ২৯৮ মেগাওয়াট এবং লোডশেডিং ছিল প্রায় ২ হাজার ৮৭৪ মেগাওয়াট। দিনের বিভিন্ন সময় চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোডশেডিংও বেড়েছে। রাত গভীর হলেও দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি ঘাটতি ছিল।

এর আগের দিন ২৬ জুন মধ্যরাতেও প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়। যদিও দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াটের বেশি, তবে জ্বালানি সংকটের কারণে সেই সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়াই বর্তমান সংকটের প্রধান কারণ। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের তুলনায় অনেক কম সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দিয়ে ঘাটতি পূরণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) জানিয়েছে, চলতি সময়ে গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তবে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট চালু হলে এবং অন্য কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন স্বাভাবিক হলে লোডশেডিং কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ খাতে চাপ বাড়ছে। নতুন এলএনজি অবকাঠামো ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ না হলে ভবিষ্যতে সংকট আরও জটিল হতে পারে।

শেয়ার করুন

  • Facebook
  • Twitter
  • Digg
  • Linkedin
  • Reddit
  • Google Plus
  • Pinterest
  • Print
আরো
© All rights reserved © arabbanglatv

Developer Design Host BD