২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চরফ্যাশন উপজেলা শাখা।
উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভ মিছিলে দলটির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন স্তরের শত শত নেতাকর্মী ও সাধারণ জনতা অংশ নেন। নেতাকর্মীরা রাজপথে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে লগি-বৈঠার তাণ্ডবের সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করেন। ২০০৬ সালের ওই দিনে তৎকালীন স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ও তার দল কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ মদদে এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগীদের নিয়ে পল্টন এলাকায় যে পৈশাচিক তাণ্ডব চালিয়েছিল, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে রয়েছে।
বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ঝুলে রয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের নানামুখী রাজনৈতিক চক্রান্ত ও বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে অপরাধীরা এতদিন পার পেয়ে গেছে। কিন্তু দেশের আপামর জনসাধারণ এই ন্যক্কারজনক ঘটনার বিচার দেখতে চায়। অবিলম্বে খুনিদের চিহ্নিত করে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় জামায়াত নেতারা জানান, দেশের আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জোরালো দাবি জানান তারা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক