ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এবং মুখপাত্র মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফকে চীন বিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে মনোনীত করেছে তেহরান। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ইচ্ছে এবং অনুমতিক্রমেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এক প্রতিবেদনে দেশটির আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ঘালিবাফকে চীনের বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগের জন্য মোজতবা খামেনির কাছে সুপারিশ করেছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান; গতকাল রোবাবার সেই সুপারিশে অনুমোদন দিয়েছেন মোজতবা।
“এখন থেকে চীন বিষয়ক যাবতীয় ইস্যুতে ইরানের সরকারের প্রতিনিধি এবং সমন্বয়কের ভূমিকায় থাকবেন ঘালিবাফ। নতুন পদে ঘালিবাফের যে দায়িত্বভার এবং কর্তৃত্ব থাকবে, তা অতীতে চীনে নিযুক্ত ইরানের যে কোনো রাষ্ট্রদূতের চেয়ে অনেক বেশি”— বলা হয়েছে তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে।
তবে চীন বিষয়ক বিশেষ দূত হওয়ার পর ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের দায়িত্বও ঘালিবাফ পালন করবেন কি-না, কিংবা তিনি স্পিকারের পদ ছেড়ে দিলে এ পদে তার উত্তরসূরী কে হবেন— সে সম্পর্কে কোনো উল্লেখ নেই তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে।
উল্লেখ্য, ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সাবেক ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ বর্তমানে দেশটির অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ। ইরানের রাজনীতির রক্ষণশীল বলয়ভুক্ত ঘালিবাফ ২০২৩ সাল থেকে পার্লামেন্টের ২৩তম স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার আগে তিনি ছিলেন তেহরানের সাবেক মেয়র।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। তারপর ১১ এপ্রিল পাকিস্তানে সংলাপে বসে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
সেই বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ঘালিবাফ।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি